বিধায়কের উদ্যোগে আমতায় করোনা আক্রান্তদের দ্বারে পৌঁছে যাচ্ছে রান্না করা খাবার

নিজস্ব প্রতিবেদক : বরাবরই তিনি মানুষের বিপদে-আপদে, দুর্যোগে ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। করোনা কিমবা ফণী-বুলবুল-আম্ফান-বন্যা-ইয়াসেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। দেশজুড়ে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ যখন আছড়ে পড়েছে তখনও তিনি কর্তব্যে অবিচল।

এভাবেই করোনা আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে আমতা বিধানসভায় বুথ ভিত্তিক বিশেষ কোভিড ওয়ারিয়র টিম গড়ে তুলেছেন গ্রামীণ হাওড়ার আমতার নবনির্বাচিত বিধায়ক সুকান্ত পাল।

বিধায়কের ঐকান্তিক উদ্যোগে গড়ে ওঠা সেই কোভিড ওয়ারিয়র টিমের সদস্যরা আমতা বিধানসভার করোনা আক্রান্তদের পাশে দাঁড়িয়ে কার্যত ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হচ্ছেন। দিন কিমবা রাত এমনকি বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে করোনা আক্রান্তদের পাশে দাঁড়াতে তাঁদের বাড়িতে রান্না করা খাবার পৌঁছে দিচ্ছেন টিমের সদস্যরা। কোভিড আক্রান্তদের ক্ষেত্রে অনেক সমস্যা দেখা দেয়।

বিশেষত, হোম আইসোলেশনে থাকা পরিবার বিভিন্নভাবে সমস্যার সম্মুখীন হয়। কিন্তু কোভিড আক্রান্তদের কার্যত মুশকিল আসান হয়ে দাঁড়িয়েছেন বিধায়কের মস্তিষ্কপ্রসূত এই বিশেষ দলের সদস্যরা। জানা গেছে, হোম আইসোলেশনে থাকা আমতা কেন্দ্রের কোনো কোভিড আক্রান্ত বা তার বাড়ির লোকজন বিশেষ হেল্পলাইন নাম্বারে ফোন করছেন। পাঠাতে হচ্ছে আধার কার্ড ও কোভিড পজিটিভ রিপোর্ট।

তারপরই দুপুর ও রাতে নিয়ম করে রান্না করা খাবার নিয়ে পৌঁছে যাচ্ছেন বুথ স্তরের যোদ্ধারা। দুপুরে ১ টার মধ্যে আর রাতে সন্ধ্যা হলেই কোভিড আক্রান্তদের দ্বারে পৌঁছে যাচ্ছে রান্না করা খাবার। আমতার বিধায়ক সুকান্ত পাল জানান, করোনা পরিস্থিতিতে আমতা বিধানসভার মানুষের পাশে দাঁড়াতে বিভিন্ন পঞ্চায়েতের প্রত্যেক বুথ থেকে এক বা দু’জনকে নিয়ে এই কোভিড ওয়ারিয়র্স টিম গঠন করা হয়েছে।

কখনো মুমূর্ষু কোভিড রোগীকে অক্সিজেনের ব্যবস্থা করা, আবার কখনো বা নন-কোভিড ব্যক্তির সৎকার করার কাজ করছেন স্বেচ্ছাসেবকরা। তিনি আরও জানান, হোম আইসোলেশনে থাকার সময় অনেক ক্ষেত্রে রান্নার অসুবিধা হয়। তাই কোভিড আক্রান্ত কোনো ব্যক্তি ও তার পরিবারের সমস্ত সদস্যদের রান্না করা খাবার পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। আমতার বিধায়কের এহেন ব্যতিক্রমী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এলাকার বহু মানুষ।

Author: নিজস্ব সংবাদদাতা