উলুবেড়িয়ায় বিজেপির জনসংযোগ কর্মসূচি, মুখ্যমন্ত্রীকে চুপ করে শোনার পরামর্শ দিলেন সায়ন্তন বসু

নিজস্ব সংবাদদাতা : করোনা আবহের মধ্যেই জনসংযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ময়দানে নামল ভারতীয় জনতা পার্টি।কেন্দ্রে বিজেপি সরকারের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে জেলায় জেলায় শুরু হয়েছে জনসম্পর্ক যাত্রা নামক বিশেষ কর্মসূচি। মঙ্গলবার দুপুরে উলুবেড়িয়া পৌরসভার ১৯ নং ওয়ার্ডে সেই কর্মসূচিতেই অংশ নিলেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু।

বিজেপির মহিলা কর্মী-সমর্থকরা তাঁকে শঙখধ্বনি ও পুষ্পবৃষ্টির মধ্য দিয়ে অভ্যর্থনা জ্ঞাপন করেন। মঙ্গলবারের বৃষ্টিভেজা দুপুরে ওয়ার্ডের বিভিন্ন বাড়ির দ্বারে গিয়ে লিফলেট বিলির মাধ্যমে মোদী সরকারের বিগত এক বছরের উন্নয়নমূলক কাজের খতিয়ান তুলে ধরেন সায়ন্তন।

পাশাপাশি, এলাকার মানুষের অভাব-অভিযোগও শোনেন। সায়ন্তন বসু বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী তো সারাক্ষনই বলেন। দুই চারদিন একটু চুপ করে শুনুন না। শোনার‌ও অভ্যাস থাকা উচিত।” তিনি আরও বলেন, “বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে শুধু তাঁকেই দেখানো হয়। অন্য কাউকে দেখানো হয়না। না দেখালে আবার এফ.আই.আর করা হয় এবং থানায় ডেকে জিঞ্জাসাবাদ করা হয়।” তিনি রাজ্যের শাসক দলকে আক্রমণ করে বলেন, “এটা উলুবেড়িয়া পুরসভা এলাকার মধ্যে পড়ে।

কিন্তু, এখানে এসে আমি প্রথমে ভেবেছিলাম এটা কোনো পঞ্চায়েত এলাকা। নগর সভ্যতার কোনো চিহ্নই এখানে নেই।” এলাকার তৃনমূল কাউন্সিলর পম্পা ধাড়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, “স্থানীয় কাউন্সিলর দল দেখে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ঘর দেন। প্রতিটা বাড়ির টাকা প্রধানমন্ত্রী পাঠিয়েছেন। তৃনমূল সেই টাকা লুঠে খাচ্ছে।” পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ, “আম্ফানের টাকা প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা পাচ্ছেনা। সেই টাকা তৃনমূলের নেতারা পাচ্ছেন।”

রাজ্যের বর্তমান সমস্যার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে দায়ী করেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক। উলুবেড়িয়া জনসম্পর্ক যাত্রা কর্মসূচিতে সায়ন্তন বসুর সাথে এদিন হাওড়া গ্রামীণ জেলার বিজেপি সভাপতি শিবশঙ্কর বেজ, সাধারণ সম্পাদক প্রত্যুষ মন্ডল সহ বিজেপির একাধিক কার্যকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, একই কর্মসূচিতে সদর হাওড়ায় অংশ নেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এছাড়াও বাম-তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করলো হাওড়া গ্রামীনের 600 অধিক কর্মী।

Author: নিজস্ব সংবাদদাতা