হাওড়া গ্রামীণ জেলা বিজেপি কার্যালয়ের সামনে বোমাবাজি, অভিযোগের তীর তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে

নিজস্ব সংবাদদাতা : হাওড়া গ্রামীণ জেলা বিজেপি কার্যালয়ের সামনে বোমাবাজি। বোমা ছোঁড়ার অভিযোগ অঞ্জাতপরিচয় দুস্কৃতিদের বিরুদ্ধে। বিজেপি’র অভিযোগ রাজ্যের তিনটি বিধানসভার উপনির্বাচনে জয়ের পর এলাকা গরম করতে তৃনমূল আশ্রিত দূস্কৃতিরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার বিকেলে ছয় নং জাতীয় সড়কের মনসাতলায় বিজেপি হাওড়া গ্রামীণ কার্যালয়ের সামনে। জানা গেছে বিকাল চারটে নাগাদ যখন বিজেপি’র কার্যালয়ে দলীয় কর্মসূচি চলছিল। সেই সময় ছয় নং জাতীয় সড়কের ফ্লাইওভারের উপর থেকে কার্যালয়ের সামনে রাস্তার উপর দুটি বোমা ছোড়া হয়। বোমার আওয়াজে বিজেপি’র কর্মীরা বাইরে বেরিয়ে আসেন। তার আগেই সেখান থেকে পালিয়ে যায় দুস্কৃতিরা।

ঘটনা প্রসঙ্গে হাওড়া গ্রামীণ জেলার বিজেপি’র সভাপতি অনুপম মল্লিক বলেন রাজ্যের তিনটি বিধানসভা উপনির্বাচনে জয়ের পর এলাকা গরম করতে তৃনমূল আশ্রিত দূস্কৃতিরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে। তার দাবি কিছু তৃনমূল সমর্থক তোলা তোলার লক্ষ্যে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিল। তারা ভিতরে ভিতরে আবার তৃনমূলে ফিরে গেছে। তারাও এই ঘটনার সাথে যুক্ত রয়েছে। সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে হাওড়া গ্রামীণ জেলার তৃণমূল সভাপতি পুলক রায় বলেন এই ঘটনার সাথে তৃনমূলের কেউ কোন ভাবেই যুক্ত নয়। এটা বিজেপি’র গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল।

সেটা বিজেপি’র সভাপতি ভালো ভাবেই জানেন। উল্লেখ্য বুধবার রাতে বাগনানে ছয় নং জাতীয় সড়কের লাইব্রেরী মোড়ের কাছে হাওড়া গ্রামীণ জেলার বিজেপি সভাপতি অনুপম মল্লিকের কুশপুত্তলিকা দাহ করেছিল কিছু বিজেপি কর্মী। তাদের দাবি ছিল মন্ডল সভাপতি নির্বাচনে অস্বচ্ছলতা রয়েছে। সভাপতি নিয়মবহির্ভূত ভাবে নিজের লোকেদের মন্ডল সভাপতি পদে বসিয়েছেন। এই ঘটনা প্রসঙ্গে অনুপম মল্লিক বলেন এরা কেউই বি জে পি’র কর্মী সমর্থক নয়। সকলেই তৃনমূল থেকে বিজেপি তে এসে ভেবেছিল তৃনমূলের মতো করে খাবে। কিন্তু বিজেপিতে এই সব চলবেনা বুঝেই, আবার তৃনমূলে ফিরে গেছে। বিজেপি কে বদনাম করতেই পরিকল্পনা করে তারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে।

Author: নিজস্ব সংবাদদাতা