একুশের রণনীতি! গ্রামীণ হাওড়ায় দলীয় প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়, সুনীল দেওধররা

নিজস্ব সংবাদদাতা : একুশের বিধানসভার রণনীতি তৈরি করতে সম্প্রতি বিজেপির কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে ৫ জন পর্যবেক্ষককে বিশেষ দায়িত্ব দিয়ে বাংলায় পাঠানো হয়েছে। হাওড়া, হুগলী ও মেদিনীপুরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সুনীল দেওধরকে। দায়িত্ব পাওয়ার পরই বুধবার সুনীল দেওধর সাংগঠনিক জেলা প্রতিনিধিদের সাথে গ্রামীণ হাওড়ার বীরশিবপুরের একটি বেসরকারি রিসর্টে বৈঠক করলেন।

এদিন সুনীল দেওধরের পাশাপাশি বৈঠকে উপস্থিত রাজ্য বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়, জোনাল কনভেনার সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো, বিজেপি সাংসদ কুনার হেমব্রম সহ অন্যান্যরা। বিজেপি সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে তিনি প্রত্যেকটি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি, সম্পাদক ও প্রাক্তন সভাপতিদের সাথে মুখোমুখি বৈঠক করেছেন। বৈঠকের সময় সুনীল দেওধর সমগ্র বৈঠকের বিষয়বস্তু নোট করেন।

দলীয় সূত্রে খবর, এই বৈঠকে কোন সাংগঠনিক জেলা থেকে কাকে ডাকা হয়েছে সেবিষয়ে কোনো স্থানীয় নেতার কাছে তথ্য ছিল না। বিজেপি সূত্রে জানা গেছে, মূলত দলের দুর্বলতা নিয়ে সবিস্তারে দলীয় প্রতিনিধিদের সাথে বাংলায় কথা বলেন এই কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, দলের দুর্বলতাগুলোকে মিটিয়ে দ্রুত আসরে নামার জন্যই বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের এহেন পদক্ষেপ। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্য বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়।

তিনি বলেন, “বাংলায় তৃণমূলের দুর্নীতি, চুরি, চিটফান্ড সহযে সমস্যাগুলো রয়েছে সেগুলোকে সামনে রেখেই আগামী দিনে জোরদার নির্বাচনী প্রচার ও আন্দোলনে নামবে বিজেপি। পাশাপাশি জেলা মন্ডল শক্তি কেন্দ্র বুথ মজবুত করে এগিয়ে চলবে বিজেপি। বাাংলায় শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বিজেপি আরও বলিদান দিতে প্রস্তুত।”

গোরু পাচার প্রসঙ্গে বি.এস.এফ অফিসারের গ্রেফতারী নিয়ে তিনি বলেন, “বিএসএফ বা রাজ্য পুলিশই হোক সকলেই সিবিআইয়ের রাডারে আছে। যেসব পুলিশ সীমাবর্তী এলাকায় পোস্টিং ছিল জানতে পেরেছি তস্করিতে তাদের হাতে রয়েছে। সিবিআই ক্লু পেলে ওদের ধরবে। লোকাল পুলিশের সাহায্য ছাড়া তস্করির ঘটনা ঘটতে পারে না। লোকাল পুলিশের যে অফিসাররাও এতে জড়িত রয়েছে তাদের সিবিআইয়ের রাডারে ধরা পড়া দরকার। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা শুরু হওয়া দরকার।”

Author: নিজস্ব সংবাদদাতা