‘বিষ্ণুমাতা মনে হয় ভোরের বেলা এসে স্বপ্ন দিয়ে গেছেন’ বাগনানে বিজেপির কর্মসূচিতে এসে লকডাউন প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীকে খোঁচা অগ্নিমিত্রার

নিজস্ব সংবাদদাতা : দেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদীর প্রধানমন্ত্রীত্বের ষষ্ঠ বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে রক্তদান, বৃক্ষরোপণ সহ একাধিক সামাজিক কর্মসূচি গ্রহণ করল হাওড়া গ্রামীণ জেলা বিজেপি নেতৃত্ব। হাওড়া গ্রামীণ জেলা বিজেপির পক্ষ থেকে আজ গ্রামীণ হাওড়ার বাগনান বিধানসভার ৩ নং সাংগঠনিক মন্ডলে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি মহিলা মোর্চার রাজ্যসভা নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল, হাওড়া গ্ৰামীন জেলার বিজেপির সাধারণ সম্পাদক প্রত্যুষ মন্ডল, বিজেপি নেতা অনুপম মল্লিক, জয় বন্দ্যোপাধ্যায় সহ অন্যান্যরা। এদিনের সভামঞ্চ থেকে আরেকবার রাজ্যের শাসকদলের উদ্দেশ্যে আক্রমণ শানান বিজেপি নেতা অনুপম মল্লিক।

আম্ফান ত্রাণ দুর্নীতি, রেশন চুরি, অস্বাভাবিক বিদুৎ বিল সহ বিভিন্ন বিষয়ে তিনি তৃণমূলকে আক্রমণ করেন। অগ্নিমিত্রা পল বলেন, “সাপ্তাহিক লকডাউনের কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। সারা পৃথিবীতে বিভিন্ন দেশ আক্রান্ত। কিন্তু, কেউ এভাবে সপ্তাহে দু’দিন লকডাউন করেনি।”

তিনি কটাক্ষের সুরে বলেন, “বিষ্ণুমাতা মনে হয় ভোরের বেলা এসে স্বপ্ন দিয়ে গেছেন। সপ্তাহে একদিন কিমবা দু’দিন করে লকডাউন করলে বাংলা থেকে করোনা চলে যাবে। আমার মনে হয় বিষ্ণুমাতার উপদেশ শুনেই মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী সাপ্তাহিক লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।”

অন্যদিকে, সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুকুল রায়ের তৃণমূলে যাওয়া প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমার মনে হয়না মুকুল দা কোথাও যাবেন। তিনি বিজেপিতেই ছিলেন, আছেন ও থাকবেন।” এর পাশাপাশি, আজ অন্যান্য দল থেকে মোট ২২০ জন কর্মী-সমর্থক বিজেপিতে যোগ দেন বলে হাওড়া গ্রামীণ জেলা বিজেপির তরফে জানানো হয়েছে।

Author: নিজস্ব সংবাদদাতা