আঠারো হলেই রক্তদান, শ্যামপুরের স্কুলে অভিনব ঘটনা, খুদেরা অঙ্গীকারবদ্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক : দীর্ঘ প্রায় দু’বছর পর স্কুলে ফিরেছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। ঘর বন্দিদশা কাটিয়ে আবারও চেনা ছন্দে মেতেছে খুদেরা। এরকমই একদল কচিকাচার হাত ধরে এক অভিনব ঘটনার সাক্ষী থাকল শ্যামপুর-২ ব্লকের ঘুঘুবেশিয়া গার্লস প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকরা। ১৯৩৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামে ‘গার্লস’ থাকলেও আদপে এটি একটি কো-এড স্কুল। বর্তমানে ছাত্রছাত্রী সংখ্যা ৬৪। সম্প্রতি স্কুল কর্তৃপক্ষের তরফে সকল পড়ুয়াকে আইডেন্টিটি কার্ড দেওয়া হয়। কার্ডে নাম, জন্মতারিখ, ঠিকানার পাশাপাশি তাদের ব্লাডগ্রুপও উল্লেখ করা হয়। বিস্তারিত জানতে নীচে পড়ুন…

কিন্তু পড়ুয়ারা তো বটেই অনেক অভিভাবকও এই ব্লাড গ্রুপের বিষয়টি বুঝে উঠতে পারেননি। একদল পড়ুয়া শিশুমনে বিদ্যালয়ের শিক্ষক আশীষ মন্ডলের দ্বারস্থ হয়। আশীষ মন্ডলের কাছে তারা এই ব্লাড গ্রুপ বিষয়টি জানতে চায়। আশীষ বাবু খুদেদের এই রক্তের গ্রুপ লেখার কারণ ও রক্তদানের উপকারিতা সম্পর্কে সঠিক ধারণা দেন।

তারপরই পড়ুয়ারা নিযে থেকে বলে ওঠে, “১৮ বছর বয়সের পর রক্তদান করবো”। খুদে পড়ুয়াদের মুখে এই কথাশুনে কার্যত অবাক হয়ে যান প্রধান শিক্ষক কল্লোল বাগ সহ অন্যান্য শিক্ষকরা। তাদের এই অঙ্গীকার মাখা শপথ বাক্য গুলি ক্যামেরা বন্দি করেন শিক্ষক আশীষ মন্ডল। শিক্ষক আশীষ মন্ডলের কথায়, এ এক বিরাট বড়ো প্রাপ্তি। আমরা শ্যামপুরের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে রক্তদান নিয়ে কাজ করে চলেছি। আমরা খুদেদের এই মানসিকতায় ভীষণভাবে অনুপ্রাণিত হলাম।

Author: নিজস্ব সংবাদদাতা