বাগনান লাইব্রেরী মোড়ে আগুন, ভষ্মিভূত ১৮ টি দোকান

নিজস্ব সংবাদদাতা : শনিবার ভোর রাতে বাগনান লাইব্রেরী মোড়ে আগুনে ভষ্মিভূত ১৮ টি দোকান। দমকলের দুটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তাদের দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তার আগেই ভষ্মিভূত হয়ে যায় কয়েকটি অস্থায়ী দোকান সহ ১৮টি দোকান। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ চক্রান্ত করে আগুন লাগানো হয়েছে। পুলিশ সুত্রে খবর সেই সময় এই দোকান গুলি সংলগ্ন জাতীয় সড়কে দায়িত্বে থাকা কর্তব্যরত এক এএসআই এর বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

পাশাপাশি জাতীয় সড়কে লাগানো সি সি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে দোষীদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। জানা গেছে শনিবার ভোর ৩ টের সময় দোকান গুলিতে আগুন দেখতে পায় স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা প্রাথমিক ভাবে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করার পাশাপাশি খবর দেয় বাগনান থানা ও দমকলে। ভষ্মীভূত হয়ে যাওয়া একটি মিষ্টির দোকানের মালিক জয়দেব চক্রবর্তী বলেন সাড়ে তিনটে নাগাদ ফোন মারফত দোকানে আগুন লাগার কথা জানতে পারি। সেখানে পৌঁছে দেখি সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

কয়েক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি জানান। পাশের ফল দোকানের মালিক সেখ মানিক বলেন কিছুটা দুরেই আমার বাড়ি। খবর পেয়ে দৌড়ে এসে দেখি পুরো দোকান দাউ দাউ করে জ্বলছে। চোখের সামনে সব পুড়ে ছাই হয়ে গেলো। ব্যাবসায়ীদের দাবি ঘটনায় যুক্তদের চিহ্নিত করে অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে। সকালে পুড়ে যাওয়া দোকান গুলি পরিদর্শন করে বাগনানের বিধায়ক অরুনাভ সেন বলেন এখানে সব সম্প্রদায়ের মানুষ শান্তিপূর্ণ ভাবে বসবাস করে।

এলাকার সম্প্রতি নষ্ট করার জন্য কোনো চক্র এই কাজ করে থাকতে পারে বলে তিনি জানান। তিনি আরো বলেন পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। তিনি বলেন ক্ষতিগ্রস্ত দোকানদারদের পাশে রয়েছে প্রশাসন। বাগনান ১ নং পঞ্চায়েত সমিতির পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানদারদের দুটি করে ত্রিপল দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থার পাশাপাশি এখানে একটি পুলিশ ক্যাম্প করা হবে বলেও তিনি জানান।

Author: নিজস্ব সংবাদদাতা