মুখে নেই মাস্ক, দূরত্ব-বিধি শিকেয়, নবমীতে গ্রামীণ হাওড়ার বিভিন্ন জায়গায় খাসি কেনার লম্বা লাইন

নিজস্ব সংবাদদাতা : ভোজনরসিক বাঙালিকে নবমীতে মাংস খাওয়া কবে,কে শিখিয়েছিল তার হদিস না মিললেও নবমীর ভোরের আলো ফুটতে না ফুটতেই গ্রামীণ হাওড়ার বিভিন্ন মাংসের দোকানের সামনে লম্বা লাইন চোখে পড়েছে। খাসির মাংসের দোকানের সামনে লাইনের আকার দেখে অনেকেরই মনে প্রশ্ন জাগবে, “করোনা নামক কোনো ভাইরাস আদৌ কোনোকালে বাংলায় সংক্রামিত হয়েছিল!” এদিন সেরকমই ছবি ধরা পড়ল।

আমতা, উলুবেড়িয়া, বাগনান সব জায়গাতেই ছবিটা কমবেশি প্রায়। ভোর থেকে খাসির মাংসের দোকানের সামনে লম্বা লাইন উৎসুক ভোজনরসিক মানুষের। সেই লাইনে পারস্পরিক দূরত্ব তো দূরের কথা, সিংহভাগ মানুষের মুখে মাস্কেরও দেখা মেলেনি।

চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, পুলিশ, আমলা সহ একশ্রেণীর মানুষ যখন বুক চিতিয়ে অতিমারীর বিরুদ্ধে দীর্ঘ কয়েকমাস ধরে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন, তখন ভোজনরসিক বাঙালির এহেন মানসিকতার পরিচয় সত্যিই যে অনভিপ্রেত তা দ্ব্যর্থ ভাষায় বলাই যায়। আর এসব দেখেই পুজোর পর বাংলায় করোনার কী পরিস্থিতি হতে চলেছে তা নিয়ে অনেকেই ইতিমধ্যেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

Author: নিজস্ব সংবাদদাতা