বাঁধের সুদৃঢ় করন ও খাল সংস্কারের জন্য প্রস্তুতি বৈঠক জেলাশাসক ও অন্যান আধিকারিকদের

নিজস্ব সংবাদদাতা : ওয়েষ্টবেঙ্গল মেজর ইরিগেশন অ্যান্ড ফ্লাড ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পের কাজ শুরু করার জন্য শনিবার আমতা সেচ বিভাগের পেঁড়ো শাখার দফতরে একটি প্রস্তুতি বৈঠক করলেন হাওড়ার জেলাশাসক মুক্তা আর্য। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সেচ সহ বনবিভাগ, জনস্বাস্থ্য কারিগরি বিভাগ, ক্ষুদ্র কৃষি সেচ দফতর, বিদ্যুৎ দফতর সহ বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকরা।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উদয়নারায়নপুরের বিধায়ক সমীর পাঁজা, সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক রামজনম হাঁসদা, সেচ দফতরের বাস্তুকার সুমন্ত্র চট্টোপাধ্যায়, আমতা ২নং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুকান্ত পাল প্রমুখ। জেলাশাসক মুক্তা আর্য বলেন বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বাঁধের সুদৃঢ় করন ও খাল সংস্কারের ক্ষেত্রে এই সমস্ত দফতরকে একসাথে কাজ করতে হবে।

এই কাজের খরচার এস্টিমেট আগামী ২১শে ফেব্রুয়ারির মধ্যে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেচ দফতরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন সেচ দফতর এই কাজের জন্য ১০কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছে। এছাড়াও প্রকল্পের হাওড়া জেলার অংশের কাজে সমন্বয় সাধনের জন্য সেচ দফতরের পেঁড়ো শাখায় কিছু অতিরিক্ত কর্মী মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

সেচ দফতরের বাস্তুকার সুমন্ত্র চট্টোপাধ্যায় বলেন বাঁধ সুদৃঢ় করন ও খাল সংস্কারের জন্য বাঁধের উপর থাকা গাছ কাটা, বৈদ্যুতিক খুঁটি সরানো, জনস্বাস্থ্য কারিগরি বিভাগের পাইপ লাইন সরানো, ক্ষুদ্র কৃষি সেচ দফতরের সেচের পাম্প মেশিন সরানো, কচুরিপানা পরিষ্কার সহ একাধিক কাজ রয়েছে। এই সমস্ত কাজ গুলি কিভাবে সম্পন্ন হবে, সেই বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

এই সমস্ত দফতর গুলিকে দ্রুত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে প্রায় ৪০০ বৈদ্যুতিক খুঁটি, ৪টি ইলেকট্রিক ট্রান্সফরমার, ২টি রিভার লিফটিং ইরিগেশন পাম্প, জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের কয়েক কিলোমিটার জলের পাইপ লাইন সরানো হবে।

আগামী বুধবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মান্দারিয়া খাল সংস্কারের কাজ শুরু হবে বলেও সেচ দফতর সুত্রে জানা গেছে। উদয়নারায়নপুরে বিধায়ক সমীর পাঁজা বলেন সেচ দফতরের সংশ্লিষ্ট দফতরটির বেহাল দশার কারণে বিগত দিনে কাজের অসুবিধা হয়েছে।

ত্রানের মালপত্র রাখার ক্ষেত্রে খোলা জায়গায় ত্রিপল খাটিয়ে বা অন্যত্র রাখতে হয়েছে। ফলত মালপত্র নষ্ট হ‌ওয়ার সম্ভবনা থেকে যায়। তিনি বলেন অবিলম্বে এখানে একটি বড় সেচ দফতরের বাংলো তৈরীর প্রয়োজন রয়েছে। সেচ দফতরের বাস্তুকার সুমন্ত্র চট্টোপাধ্যায় এই বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছেন।

Author: নিজস্ব সংবাদদাতা