পেট চালাতে ব্যবসা বদল উলুবেড়িয়ার এক সংস্থার, স্বস্তির নিঃশ্বাস কর্মচারীদের

নিজস্ব সংবাদদাতা : লকডাউন উঠে আনলক-১ পর্ব শুরু হয়েছে। খুলেছে অফিস, আদালত, দোকানপাট।ক্রমে স্বাভাবিক হচ্ছে জীবনযাত্রা। কিন্তু, তার মাঝেই দেশজুড়ে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এরকমই এক পরিস্থিতিতে বাড়ি, কিমবা কর্মক্ষেত্রকে জীবাণুমুক্ত রাখতে স্যানিটাইজেশন করা হচ্ছে দমকল, পঞ্চায়েত, কিমবা পুরসভার তরফে।

তবে এবার বেসরকারি উদ্যোগে উলুবেড়িয়ায় চালু হল স্যানিটাইজেশনের কাজ। জানা গেছে, বিগত প্রায় মাসখানেক ধরে এই কাজ করে চলেছে উলুবেড়িয়ার এক বেসরকারি সংস্থা। খুব স্বল্প মূল্যের বিনিময়েই এই সুবিধা মিলছে। সংস্থার কর্ণধার মৃন্ময় মন্ডল জানান, “আমার সংস্থা মূলত সিসিটিভি সংক্রান্ত কাজের সাথে যুক্ত। কিন্তু, লকডাউনের দীর্ঘদিন এই কাজ বন্ধ। আমার সংস্থার কর্মীদের মাইনে দিতে বেশ সমস্যায় পড়ছিলাম। তাই বিকল্প ভাবনা ভাবতে গিয়েই এই উদ্যোগ।”

ইতিমধ্যেই এই সংস্থার দ্বারা স্যানিটাইজেশন বানীবন পঞ্চায়েত, উলুবেড়িয়ার একাধিক ফ্ল্যাট, রেশন দোকান, ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ স্যানিটাইজেশন করিয়েছেন বলে জানা গেছে। মৃন্ময় মন্ডল আরও বলেন, “মূলত হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড, এক্সিলারেটেড সিলভার এক্স দিয়ে স্যানিটাইজেশন করা হচ্ছে।” সংস্থাটি সূত্রে জানা গেছে, দু’টো ইউনিটে মোট ১৮ জন কর্মী কাজ করছে। স্কোয়ার ফিট পিছু ১ টাকা দিলেই মিলছে এই পরিষেবা। তবে এলাকা বড়ো হলে খরচ তুলনামূলকভাবে কম।

উলুবেড়িয়ার পাশাপাশি ইতিমধ্যেই এই কাজের জন্য কোলকাতা ও কাঁথির একাধিক বড়ো অফিস, কোম্পানি থেকে ডাক এসেছে সংস্থাটির কাছে। সংস্থার কর্ণধারের দাবি, “আমরা যে সলিউশান ব্যবহার করছি তার কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। কাটা ফল, সব্জি, এমনকি মানুষের দেহেও এই তরল ব্যবহার করা যায়।” লকডাউনের শুরুতে কাজ হারানোর আতঙ্কে ঘুম উড়েছিল এই সিসিটিভি সংস্থায় কর্মরত সুদীপ্ত, আবদুল্লা, কার্তিকের মতো। তবে স্যানিটাইজেশনের নতুন কাজ পেয়ে কিছুটা হলেও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন তাঁরা।

Author: নিজস্ব সংবাদদাতা