বাগনানে নাবালিকা ছাত্রীর বিয়ে রুখল প্রশাসন

নিজস্ব সংবাদদাতা : নাবালিকা ছাত্রীর বিয়ে রুখল প্রশাসন। ঘটনাটি ঘঠু বাগনানের এক নং ব্লকের বাইনান এলাকায়। বিয়ে বন্ধ করে দেওয়ার পাশাপাশি নাবালিকার বাবার কাছে থেকে, মেয়ে সাবালিকা না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে না দেওয়ার মুচলেকা লিখিয়ে নেওয়া হয়েছে।প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে শুক্রবার সন্ধ্যায় স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা সীতা নায়েক পঞ্চায়েত প্রধান তাপস হাজরাকে জানান বাইনান গ্রাম পঞ্চায়েতের কড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা সেখ আবদুল্লার তার নাবালিকা মেয়ের বিয়ে ঠিক করেছেন।ষোলো বছরের নাবালিকা বর্তমানে বাইনান গার্লস হাইস্কুলে নবম শ্রেনীতে পাঠ্যরতা। আগামী পনেরো ডিসেম্বর তার বিয়ের দিন ধার্য হয়েছিল আমতার তাজপুরের সারদা গ্রামে। খবর পেয়ে এদিন সকালে তাপসবাবু বিষয়টি জানান বিডিও সত্যজিৎ বিশ্বাসকে। খবর দেওয়া হয় পুলিশকেও। শনিবার সকালে আবদুল্লার বাড়ি যান বাগনান এক নং ব্লকের জয়েন্ট বিডিও, পুলিশ ও চাইল্ড লাইনের লোকজন । সাথে ছিলেন পঞ্চায়েত প্রধান তাপস হাজরা। পরিবারের লোকজনকে বোঝানো হয় অল্প বয়সে বিয়ে দেওয়ার কুফল । পরে ছাত্রীর সঙ্গে কথা বলেন চাইল্ড লাইনের লোকজন। বিডিও সত্যজিৎ বিশ্বাস বলেন, নাবালিকার পরিবারের সদস্যরা বিষয়টা বোঝেন। মেয়ের আঠারো বছর বয়স হলে তবেই বিয়ে দেবেন বলে তারা জানান। এই মর্মে তাদের কাছে থেকে মুচলেকাও লিখিয়ে নেওয়া হয়। তাপস বাবু জানান ওই পরিবারটি খুবই দু:স্থ। আমরা আগামী দিনে তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি ও দিয়েছি। আবদুল্লাহ বলেন বর্তমানে দুই মেয়ে এক ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে সংসার। জরির কাজ করে সামান্য রোজগার হয়। তাই মেয়ের বিয়ে দিতে চেয়েছিলাম। এলাকার বাসিন্দাদের সাধুবাদ জানান স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা সীতা নায়েকও।

Author: নিজস্ব সংবাদদাতা