উলুবেড়িয়াতে মমতাকে হুঁশিয়ারি উত্তর প্রদেশের উপ মুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্যের

নিজস্ব সংবাদদাতা:বৃহস্পতিবার বিকেলে উলুবেড়িয়ার শ্যামপুরের বাগান্ডা ফুটবল মাঠে অনুষ্ঠিত একটি জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে উত্তরপ্রদেশের উপ মুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্য বলেন ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে ৪০ টি আসনে পদ্ম ফুটবে। তৃনমূল ২ টি আসনেই সীমাবদ্ধ থাকবে। রাজ্যে সেই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।তিনি আরো বলেন যেখানে আদালতের নির্দেশে ২০ হাজার কোটি টাকার বেশি চিটফান্ড কান্ডের তদন্ত চলছে, সেই তদন্তের স্বার্থে সি বি আই কলকাতার পুলিশ কমিশনার কে ডেকে পাঠিয়েছে জিঞ্জাসাবাদের জন্য। তার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন ধর্নায় বসলেন আমি বুঝতে পারছিনা? ভারতবর্ষের ইতিহাসে কোনো মুখ্যমন্ত্রী কোনো দূর্নিতিগ্রস্থ অফিসার কে বাঁচানোর জন্য ধর্নায় বসেছে ভারতবর্ষের ইতিহাসে তার একমাত্র নাম হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ।তিনি বলেন পশ্চিমবঙ্গে অরাজকতা চলছে, জরুরি অবস্থার মতো পরিস্থিতি। বিশ্বের সব থেকে বড় রাজনৈতিক দল বি জে পি র সর্বভারতীয় সভাপতির হেলিকপ্টার নামতে দেওয়া হবেনা? দেশের সব থেকে বেশি জনসংখ্যার রাজ্য উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর সভার অনুমতি দেওয়া হবেনা, তার হেলিকপ্টার নামতে দেওয়া হবেনা। দিদি জেনে নিন, আমরা সবাই করসেবক। জল বা আকাশ দিয়ে আসতে না পারলে, স্থল দিয়ে পৌঁছে যাবো। যোগিজী ঠিক পৌঁছে গেছেন। তিনি আরো বলেন ২০১৯ এই দেশে পদ্ম ফুটবে। তিনি দাবি করেন আগামী লোকসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশে বিজেপি র আসন সংখ্যা ৭৩ থেকে ৭৪ হতে পারে কিন্তু ৭৩ থেকে ৭২ হবেনা। মৌর্য বলেন ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে পদ্ম ফুটিয়ে নরেন্দ্র মোদী কে দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় নিয়ে আসার কাজ আপনারা করুন। ২০১৯ শে মোদীজী দ্বিতীয় বার বিজেপি সরকার গঠন হবে আর ২০২১ শে পশ্চিমবঙ্গেও বি জে পি সরকার গঠিত হবে। তিনি জানান নরেন্দ্র মোদী যখন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন তখন বি জে পি র বর্তমান সর্বভারতীয় সভাপতি কে গ্রেফতার করে জেলে ঢুকিয়েছিল সি বি আই। নরেন্দ্র মোদী কিন্তু তখন সি বি আই এর গুজরাটে ঢোকা আটকাননি। কি বার্তা দিতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যারা দুর্নীতি করেছে,যারা গরিবের টাকা লুঠ করেছিল, যারা বেইমানি করেছে তাদের বিরুদ্ধে কি তদন্ত করা উচিত নয়? রাম মন্দির প্রসঙ্গে তিনি বলেন আমি বি জে পি তে আসার আগে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কাজ করতাম। আমাদের কোঠারি বন্ধুরা কলকাতা থেকেই করসেবা চলার সময় অযোধ্যায় গিয়েছিল। তারা যে বলিদান দিয়েছিল, কেন্দ্রের মোদী সরকার ও উত্তরপ্রদেশের যোগী সরকার তাদের বলিদান ব্যার্থ হতে দেবেনা। সভায় উপস্থিত বি জে পি র কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিনহা বলেন রাজীব কুমার মুখ খুললে ২০১৯ তৃনমূল ভ্যানিস। তিনি দাবি করেন পাশা উল্টালে সমস্ত দূর্নীতিগ্রস্তদের বাড়ি গাড়ি নিলাম করা হবে। উক্ত জনসভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বি জে পি র রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, জয় ব্যানার্জি, আরশাদ আলম, নাজিয়া ইলাহি সহ অন্যান্য নেতৃত্ববৃন্দ।

Author: admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *